বুকমার্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৬

ইসলামে আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার মূল ভিত্তি

 (গুগল হতে)

ইসলামে আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার মূল ভিত্তি হলো ফরজ ইবাদতগুলো সঠিকভাবে পালন করা এবং আন্তরিকভাবে তাওবা ও ইস্তিগফার করা। ক্ষমা লাভের জন্য যে ফরজ ও আমলগুলো রয়েছে তা নিচে দেওয়া হলো:

১. প্রধান ফরজ ইবাদতসমূহ পালন

ঈমান :আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করাই ঈমান। আল্লাহর ফেরেস্তা, আসমানী কিতাবের, নবী রাসুলদের প্রতি, পরকালের প্রতি, ভাগ্যের ভালো মন্দের প্রতি বিশ্বাস করা ঈমানের অংশ। 

সালাত (নামাজ): প্রতিদিনের ৫ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায় করা গুনাহ মাফের অন্যতম বড় মাধ্যম। হাদিস শриф অনুযায়ী, এক ওয়াক্ত থেকে আরেক ওয়াক্ত সালাত মধ্যবর্তী গুনাহের কাফফারা হয়।

সাওয়াম (রোজা): রমজান মাসের ফরজ রোজা পূর্ণ ঈমান ও সওয়াবের নিয়তে রাখা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখে, তার আগের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

যাকাত ও হজ: সামর্থ্যবানদের জন্য যথাক্রমে জাকাত আদায় করা এবং ফরজ হজ পালন করা। এগুলো বান্দার আত্মশুদ্ধি ও গুনাহ মোচনে সহায়তা করে।

ঈমান ও নেক আমল: আল্লাহর প্রতি খাঁটি বিশ্বাস স্থাপন এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে জীবন পরিচালনা করা। [1]

২. তাওবা ও ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা)

খাঁটি তাওবা: অতীতে করা পাপের জন্য অনুতপ্ত হওয়া, তাৎক্ষণিকভাবে পাপ কাজ ছেড়ে দেওয়া এবং ভবিষ্যতে আর কখনো সেই পাপ না করার দৃঢ় সংকল্প করা।

ইস্তিগফার করা: বেশি বেশি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। যেমন— "আস্তাগফিরুল্লাহাল আজীমাল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি" পড়া। নবীজি (সা.) প্রতিদিন অনেকবার ইস্তিগফার করতেন। [1, 2, 3, 4, 5]

৩. বান্দার হক বা অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া

মানুষের ওপর কোনো জুলুম বা অন্যায় করে থাকলে, তার সম্পদ নষ্ট করে থাকলে বা কারো গিবত/সম্মানহানি করে থাকলে— আগে সেই হকদারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে অথবা তার হক ফিরিয়ে দিতে হবে। বান্দার হক নষ্ট করলে আল্লাহ নিজে তা মাফ করেন না, যতক্ষণ পর্যন্ত হকদার ব্যক্তি ক্ষমা না করেন। [1]

=====
ইসলামি আকীদা ও শরিয়াহ অনুযায়ী, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এবং আল্লাহর আইন (শরিয়াহ) অনুযায়ী বিচার ফায়সালা করা আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি অর্জনের অত্যন্ত বড় একটি মাধ্যম। কুরআন এবং হাদিসে ন্যায়পরায়ণ শাসক ও বিচারকদের জন্য বিশাল পুরস্কার ও ক্ষমার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসলামের মূল দৃষ্টিভঙ্গি নিচে তুলে ধরা হলো:

১. ন্যায়বিচারের মাধ্যমে আল্লাহর ক্ষমা ও রহমত লাভ

আল্লাহ তায়ালা নিজে পরম ন্যায়বিচারক (আল-আদিল) এবং তিনি বান্দাদের মাঝে ন্যায়বিচার দেখতে পছন্দ করেন। সূরা আল-মায়েদার ৪২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে:

"যদি আপনি বিচার করেন, তবে তাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচারকদের ভালোবাসেন।"


আর আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন, তাকে তিনি ক্ষমা করেন এবং তাঁর রহমতের ছায়াতলে আশ্রয় দেন।

২. আরশের নিচে ছায়া পাওয়ার মহাসুযোগ

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের কঠিন দিনে যখন আল্লাহর আরশের ছায়া ব্যতীত আর কোনো ছায়া থাকবে না, তখন যে ৭ শ্রেণীর ব্যক্তি সেই ছায়ায় স্থান পাবেন, তাদের মধ্যে সর্বপ্রথম হলেন—"ইমামুন আদিল" বা ন্যায়পরায়ণ শাসক/বিচারক (সহীহ বুখারী)। কিয়ামতের দিন এই বিশেষ মর্যাদা পাওয়া আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাত লাভের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

৩. আল্লাহর আইন (শরিয়াহ) বাস্তবায়নের গুরুত্ব

ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, মানবজাতির শান্তি ও শৃঙ্খলার জন্য আল্লাহ তায়ালা শরিয়াহর বিধান অবতীর্ণ করেছেন। সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনা করা একটি বড় ইবাদত। যখন একজন বিচারক বা শাসক আল্লাহর আইন অনুযায়ী মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেন, তখন তা সমাজে শান্তি আনে এবং এর উসিলায় আল্লাহ সেই শাসকের গুনাহখাতা মাফ করে দেন।

৪. তবে এর সাথে কিছু শর্ত জড়িত:

শুধুমাত্র শরিয়াহর নাম নিলেই ক্ষমা নিশ্চিত হয় না, বরং আল্লাহর ক্ষমা পেতে হলে বিচারকের মধ্যে কয়েকটি গুণ থাকা আবশ্যক:

সততা ও নিরপেক্ষতা: কোনো লোভ, হিংসা বা স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে উঠে বিচার করতে হবে।


সঠিক জ্ঞান: শরিয়াহর বিধান সম্পর্কে পূর্ণ ও সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে। না জেনে ভুল বিচার করলে তা ক্ষমার বদলে শাস্তির কারণ হতে পারে।


ইখলাস (নিষ্ঠা): বিচারকার্য কেবল আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার নিয়তে হতে হবে, ক্ষমতা বা লোকদেখানোর জন্য নয়।


সংক্ষেপে বলা যায়, কেউ যদি সম্পূর্ণ সততা, নিরপেক্ষতা এবং সঠিক জ্ঞানের ভিত্তিতে আল্লাহর শরিয়াহ অনুযায়ী মানুষের মাঝে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেন, তবে তা নিঃসন্দেহে তার জন্য আল্লাহর ক্ষমা ও পরম জান্নাত লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উসিলা বা উপায়।
====

আল্লাহর কাছে ক্ষমা পাওয়ার ন্যূনতম ও সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো খাঁটি অন্তরে ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ (أستغفر الله) পড়া এবং আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করা। [1, 2]

ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী আল্লাহর ক্ষমা লাভের মৌলিক বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:গফিরুল্লাহ পাঠ: প্রতিদিন নিয়মিত অন্তত ১০০ বার কিংবা সুযোগমতো বেশি বেশি "আস্তাগফিরুল্লাহ" বলা। এটি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিয়মিত সুন্নাহ। [1]

তাওবা করার শর্তসমূহ: যদি গুনাহটি আল্লাহ ও বান্দার মধ্যকার হয়, তবে ক্ষমা পাওয়ার ন্যূনতম ৩টি শর্ত রয়েছে:

অবিলম্বে সেই গুনাহ বা পাপ কাজ ছেড়ে দেওয়া।

অতীতের কাজের জন্য অন্তরে তীব্র অনুশোচনা ও লজ্জিত হওয়া।

ভবিষ্যতে আর কখনো এই গুনাহ না করার দৃঢ় সংকল্প করা। [1, 2, 3]

বান্দার হক সম্পর্কিত হলে: গুনাহটি যদি কোনো মানুষের অধিকার বা প্রাপ্য নষ্ট করার সাথে জড়িত হয়, তবে আল্লাহর কাছে মাগফিরাত চাওয়ার পাশাপাশি সেই হক বা পাওনা যার, তার কাছে মাফ করিয়ে নেওয়া বা ক্ষতিপূরণ দেওয়া আবশ্যক।

সালাতুত তাওবা: গুনাহ হয়ে গেলে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ (সালাতুত তাওবা) পড়ে আল্লাহর কাছে চোখের পানি ফেলে ক্ষমা প্রার্থনা করা। [1, 2]

নেক আমল করা: ছোটখাটো গুনাহগুলো ভালো কাজ বা নেক আমলের মাধ্যমে মুছে যায়। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, "নিশ্চয়ই ভালো কাজ মন্দ কাজকে মিটিয়ে দেয়।" [1]

১৩ অক্টোবর ২০২৬

সুরা ইয়াছিন অবলম্বনে কবিতা

📖

সুরা ইয়াছিন অবলম্বনে কবিতা

অবাধ্যতার পরিনাম.অতুলনীয় সৃষ্টি• মোরা অজ্ঞ আল্লাহ সরবজ্ঞ

✦ প্রথম অধ্যায় ✦
🔖 আপনার পড়ার জায়গা: এখনো বুকমার্ক করা হয়নি।

০৮ অক্টোবর ২০২৬

ইসকন

 ইসলামিক অনলাইন হতে

ইসকন বনাম হিন্দুধর্ম

সনাতনী হিন্দুদের মতে, ১২ মাসে ১৩ পূজা। যেমন- হিন্দুদের প্রধান উৎসব হচ্ছে দুর্গাপূজা। অন্য আরেকটি পূজা হচ্ছে কালীপূজা। অবশ্য দুর্গাপূজা ও কালীপূজা ইসকন সমর্থন করে না। বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মীয় রীতি মতে, সাধারণত রথযাত্রা করে ১ দিন। ইসকন সমর্থিত বাংলাদেশের প্রধান মন্দির স্বামীবাগে ৭ দিন রথযাত্রা করতে দেখা যায়। ৭ দিন রথযাত্রা নিয়ে অনেক হিন্দু ও বিশেষজ্ঞরা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ইসকনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

হিন্দুধর্ম মতে, হিন্দুধর্মের প্রধান তিন দেবতা হলো— ১. ব্রহ্মা ২. বিষ্ণু ও ৩. শিব। হিন্দুরা সকল দেবতার প্রধান মানে শিবকে। অন্যদিকে ইসকন বলছে ভিন্ন কথা। ইসকনের মতে, ৩৩ কোটি দেবতার প্রধান হচ্ছে কৃষ্ণ। এক কথায় ইসকন হলো শ্রী কৃষ্ণ নির্ভর। হিন্দুধর্ম মতে, জন্মের পরই বর্ণ অনুযায়ী হিন্দুধর্মের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় প্রতিটি সনাতনী সন্তান। হিন্দুধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার নিয়ম নেই। অন্যদিকে ইসকন অ-হিন্দু তথা খ্রিষ্টানদের হিন্দু বানাচ্ছে, যা হিন্দুধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক।

সনাতনী মন্দিরের পুরোহিতরা সাধারণ মানুষের মতো বিবাহ ও সংসার করেন। অন্যদিকে ইসকন সমর্থিত মন্দিরের বৈষ্ণবরা বিবাহ কিংবা সংসার করেন না। এখানে ইসকনকে খ্রিষ্টধর্মের সাথে মিল থাকায় অনেকে ইসকনকে খ্রিষ্টানদের দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

ইসকন সমর্থিত হিন্দুরা সনাতনী হিন্দুদের রান্না খায় না। সেই সনাতনী হিন্দু যদি নিজের মা-ও হয়, তবুও তার রান্না খায় না। ইসকন সমর্থিত হিন্দুরা নিজেরা নিজেদের হাতের রান্না খায়, যা হিন্দুধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক। ইসকন সমর্থিত হিন্দুরা সনাতনী হিন্দুদের হিন্দু মনে করে না।৮

বিকৃত মস্তিষ্কের অভয়চরণারবিন্দের অজানা অধ্যায়

ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কলকাতার সুবর্ণবণিক পরিবারে ১ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পারিবারিক নাম ছিল অভয়চরণ দে। তিনি খ্রিষ্টান মিশনারি দ্বারা পরিচালিত কলকাতার স্কটিশ কলেজে পড়াশুনা করেন। কেউ কেউ বলছেন, অভয়চরণ দে আমেরিকার নিউইয়র্কে খ্রিষ্টান চার্চে পড়াশুনা করেছেন। অভয়চরণ দে পেশায় ফার্মাসিউটিক্যাল ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ১৯৬৫ সালে কলকাতা ছেড়ে শূন্য হাতে আমেরিকায় পাড়ি জমান। ১৯৬৬ সালে আমেরিকায় ইসকনের হাতেখড়ি এই বিতর্কিত ব্যক্তির হাত ধরেই হয়।

বিতর্কিত বলার অন্যতম কারণ হচ্ছে তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উদ্ভট মন্তব্য করেন। ১১ মে ১৯৭১ সালে মর্নিং ওয়াকে চাঁদ আর সূর্যের অবস্থান নিয়ে হাস্যকর মন্তব্য করে নিজের অবস্থান হারান। ওয়াশিংটন ডিসিতে ২ জুলাই ১৯৭৬ সালে এই বিতর্কিত ব্যক্তি বলেন, যেই মাত্র কোনো পুরুষ যুবতির স্তন এবং বাহুমূলে নেত্রপাত করে, তখনি সে শেষ। আর যতদিন সে এসবের দ্বারা আকৃষ্ট হবে, তাকে বারবার জন্মগ্রহণ করতে হবে।

আশা করি, এমন অশালীন কথামালা পাঠকের বোধগম্য হবে। অভয়চরণ দে ১৯৭৭ সালে মুম্বাইয়ে নারী স্বাধীনতা প্রসঙ্গে ইন্দিরা গান্ধীকে পতিতা বলে সমালোচনার জন্ম দেন। ১৯৭৫ সালের ৯ নভেম্বর ধনঞ্জয়কে লেখা এক চিঠিতে ফুঠে উঠে অভয়চরণ দের নারীবিদ্বেষী চরিত্র।

২৬ অক্টোবর ১৯৭২ সালে শ্রীমদ্ভাগবত লেকচারে নারীদের বুদ্ধিমত্তাকে হেয় প্রতিপন্ন করে বক্তব্য দেন অভয়চরণ দে।৯

প্রিয় পাঠক! এই বিতর্কিত ব্যক্তির সকল বক্তব্য ছোট্ট প্রবন্ধে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা সম্ভব হচ্ছে না। উল্লেখ না করার আরও কারণ হলো এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ শুনতে পারবে না। অভয়চরণ দে ধর্ষণ নিয়ে তার বই শ্রী ভাগবতমে বলেছেন, Although rape is not legally allowed, it is a fact that a woman likes a man who is very expert at rape. অর্থাৎ যদিও ধর্ষণ আইনত অনুমোদিত নয়, তবে বাস্তবতা হলো একজন মহিলা ধর্ষণে খুব পটু এমন পুরুষকে পছন্দ করেন।

প্রিয় পাঠক! এমন নানা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগ আছে এই মস্তিষ্কবিকৃত অভয়চরণের ব্যাপারে। তাছাড়াও হিন্দুধর্মের স্বামী বিবেকানন্দকে তিনি রাস্কেল বলেছেন। হিন্দুধর্মের পণ্ডিত ঋষি অরবিন্দকে লক্ষ্য করে ঘৃণ্য কথা বলেছেন। নিজের গুরু রামকৃষ্ণ ও সারদাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন অভয়চরণ দে।১০ সর্বোপরি এমন মস্তিষ্কবিকৃত মানুষের তৈরি ইসকন কেমন হতে পারে? প্রশ্নের উত্তরটি পুরো প্রবন্ধটি পড়ার পর পেয়ে যাবেন, ইন-শা-আল্লাহ!

০৬ অক্টোবর ২০২৬

আল্লাহ কেমন? তার পরিচয় কি?

আল্লাহ্‌ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর জ্যোতি, তাঁহার জ্যোতির উপমা যেন একটি দীপাধার যাহার মধ্যে আছে এক প্রদীপ, প্রদীপটি একটি কাচের আবরণের মধ্যে স্থাপিত, কাচের আবরণটি উজ্জ্বল নক্ষত্রসদৃশ; ইহা প্রজ্বলিত করা হয় পূত - পবিত্র যায়তূন বৃক্ষের তৈল দ্বারা যাহা প্রাচ্যের নয়, প্রতীচ্যেরও নয়, অগ্নি উহাকে স্পর্শ না করিলেও যেন উহার তৈল উজ্জ্বল আলো দিতেছে; জ্যোতির উপর জ্যোতি! আল্লাহ্‌ যাহাকে ইচ্ছা পথনির্দেশ করেন তাঁহার জ্যোতির দিকে। আল্লাহ্‌ মানুষের জন্য উপমা দিয়া থাকেন এবং আল্লাহ্‌ সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ।

اَللّٰهُ نُوْرُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ ‌ؕ مَثَلُ نُوْرِهٖ كَمِشْكٰوةٍ فِيْهَا مِصْبَاحٌ‌ ؕ الْمِصْبَاحُ فِىْ زُجَاجَةٍ‌ ؕ اَلزُّجَاجَةُ كَاَنَّهَا كَوْكَبٌ دُرِّىٌّ يُّوْقَدُ مِنْ شَجَرَةٍ مُّبٰـرَكَةٍ زَيْتُوْنَةٍ لَّا شَرْقِيَّةٍ وَّلَا غَرْبِيَّةٍ ۙ يَّـكَادُ زَيْتُهَا يُضِىْٓءُ وَلَوْ لَمْ تَمْسَسْهُ نَارٌ‌ ؕ نُوْرٌ عَلٰى نُوْرٍ‌ ؕ يَهْدِى اللّٰهُ لِنُوْرِهٖ مَنْ يَّشَآءُ‌ ؕ وَ يَضْرِبُ اللّٰهُ الْاَمْثَالَ لِلنَّاسِ‌ؕ وَاللّٰهُ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيْمٌ ۙ

সূরা নম্বর: ২৪ আয়াত নম্বর: ৩৫

আল্ কুরআন, সুরা ইখলাস

সুরা ইখলাস ১১২(১-৪)

(112:0)

بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ

শব্দার্থ: بِسْمِ = নামে, اللَّهِ = আল্লাহ(র), الرَّحْمَٰنِ = পরমকরুণাময়, الرَّحِيمِ = অসীমদয়ালু,

অনুবাদ: পরম করুণাময় মেহেরবান আল্লাহর নামে (112:1)

قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌۚ

অনুবাদ: বলো, তিনি আল্লাহ, একক।

(112:2)

اَللّٰهُ الصَّمَدُۚ

অনুবাদ: আল্লাহ কারোর ওপর নির্ভরশীল নন এবং সবাই তাঁর ওপর নির্ভরশীল।

(112:3)

لَمْ یَلِدْ وَ لَمْ یُوْلَدْۙ

অনুবাদ: তাঁর কোন সন্তান নেই এবং তিনি কারোর সন্তান নন।

(112:4)

وَ لَمْ یَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ۠

অনুবাদ: এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Islamic Life: আল কুরআন, সুরা মুলক ৬৭(১-৩০)

Islamic Life: আল কুরআন, সুরা মুলক ৬৭(১-৩০): আল কুরআন,  সুরা মুলক (67:0) بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ শব্দার্থ:   بِسْمِ = নামে,     اللَّهِ = আল্লাহ(র),     الرَّحْمَٰنِ = পর...

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

ইসলামে আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার মূল ভিত্তি

 (গুগল হতে) ইসলামে আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার মূল ভিত্তি হলো ফরজ ইবাদতগুলো সঠিকভাবে পালন করা এবং আন্তরিকভাবে তাওবা ও ইস্তিগফার করা। ক্ষমা লাভের জন...

জনপ্রিয় লেখা সমূহ