১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

হতভাগা দেশবাসীর উদ্দেশ্যে নিরবাচনী ফলাফল

 যেসব মেয়েরা BNP জিতেগেসে বলে খুশি হচ্ছেন...

আগামীতে যদি মাঝরাস্তায় কোনো মেয়ের উপর ভাদ্র মাসের পাগলা কুকুরের মতো বিএনপির সোনার ছেলেরা ঝাঁপিয়ে পড়ে, যদি তাদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়, তবে আমি চোখ ফিরিয়ে নেব!


ফুটপাথের কোন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী যদি চাঁদা দিতে দিতে নিঃস্ব হয়ে পথে বসে যায়, যদি তার শেষ সম্বলটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়, তবে আমি মৌনতাকেই বেছে নেব!


বাপ-দাদার পৈতৃক সম্পত্তি কিংবা মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁইটুকু যদি কোন বিএনপির নেতা গায়ের জোরে দখল করে নেয়, তবে আমি আমার নীরব অবস্থান বজায় রাখব!


দেশের কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে যদি নতুন নতুন বেগমপাড়া তৈরি হয় আর সেই প্রভাবে দ্রব্যমূল্য আকাশ ছুঁলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠে, তবে আমি এক পাশে বসে জুস খাব আর মানুষের হাহাকার দেখে পৈশা'চিক উল্লাস করব!


ভিন্ন মতাদর্শের কারণে যদি কেউ ঘর থেকে বের হয়ে আর ফিরে না আসে, যদি কাউকে গু'ম বা খু'ন করা হয়, তবে আমার আইডিতে তার জন্য একটি শোকবার্তাও পাবেন না!


হিজাব-নিকাবকে প'তিতাদের ড্রেস বলা, ধর্মের জন্য ইসলাম ক্ষতিকর, চার বিয়ের জন্য মেয়েদের অনুমতি চাওয়া, এমনকি চার খলিফাদের চেয়েও তাদের দলের তথাকথিত কোন রাজনৈতিক নেতাকে বড় বানানোর কেউ স্প'র্ধা দেখালেও আমি আজ থেকে চুপ থাকব!


কারণ আমি বুঝে গেছি - যে জাতি নিজেই গোলামির জিঞ্জির পরতে ভালোবাসে তাদের স্বাধীনতার সুফল বোঝানো বোকামি। যে জাতি ধ্বংসের কিনারে দাঁড়িয়েও হাততালি দেয়, তাদের জন্য নীতি কথা বলা কিংবা দেশের মঙ্গল চাওয়া নিছক সময় নষ্ট!


আজ থেকে আমি মুক্ত, আজ থেকে আমি চরম উদাসীন। দেশের চলমান সহিং'সতা কিংবা রাজনীতি নিয়ে এটাই আমার শেষ পোস্ট। আপনাদের নরক আপনারা নিজেরাই সাজিয়ে নিন!


إِنَّ اللَّهَ لَا يُغَيِّرُ مَا بِقَوْمٍ حَتَّى يُغَيِّرُوا مَا بِأَنْفُسِهِمْ


নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা নিজেরা পরিবর্তন করে। (সূরা আর-রা'দ : ১১)


এদেশের মানুষ জান্নাতে যেতে চায়না সবাই লন্ডনে যেতে চায় তাই তারা লন্ডনের টিকেট কেটে রেখেছে।

আসলে এ জাতির রুচির প্রশংসা করতেই হয়। 

আমার দেখা অত্যাধিক শিক্ষিত মানুষই আছে যারা 

https://www.facebook.com/share/p/1C713pfPMb/

জামাত আসলেই মন থেকে চায়না কারণ দূর্নীতি করতে পারবেনা,অর।

মূর্খ মানুষগুলাই বেশি চাইছিল। মুখপ মুখে বলছিল আসলে তারা অন্তর থেকে চায়নি জামাত জিতুক। 


জামাত শিবির তারা যদি এ পরাজয় মেনে নেয় আমি বলব তারা রাজনীতি ছেড়ে দিক।আসলে ছোখের সামনে তারা বাটপারী করে হত্যাযঙ্গ করেও আমার মা বোনের গায়ে হাত দিয়েও তারা জিতে গেল।আর আমার প্রিয় জামাত শিবির ভাইয়েরা অতিসহজে হার মেনে নিলেন।এত কষ্ট,শ্রম আজকে অনেক কষ্ট হয় এটা ভেবে যে জনগন ১০ জন আলিমকে সংসদে পাঠাতে পারলামনা। আমারা হিরা চিনিনা আমারা চিনতে পারি আবর্জনা তাই বাটপার চাদাবাজ দূর্নীতি পরায়ন লোকের কাছে ক্ষমতা দিয়ে দেই এটা হচ্চে আমাদের রুচি।


যাই হোক আল্লাহ উওম পরিকল্পনাকারী।

আমার দাবী যেই সরকার গঠন করুক সংসদে যাক প্রথমেই যেন হাদী হত্যার বিচার হয়,আর সব হত্যাযঙ্গের বিচার হয় আর আমরা অন্যায় দেখতে চাইনা।

আমরা বাঙালির রুচি খারাপ আসলেই খারাপ। 

আল্লাহ সবাইকে ধৈর্যধারন করার তৌফিক দিন। আমিন🤲

০৮ জানুয়ারি ২০২৬

স্বামী স্ত্রী রাগ করে আলাদা বিচানায়

 ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে স্ত্রী রাগ করে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা বিছানায় ঘুমালে বিষয়টি বেশ সংবেদনশীল এবং এতে গুনাহের সম্ভাবনা থাকে—কারণ এতে স্বামীর দাম্পত্য অধিকার জড়িত।

১️⃣ সাধারণ হুকুম (মূলনীতি)

স্ত্রী যদি যৌক্তিক শরয়ি কারণ ছাড়া—

রাগ,

অভিমান,

জেদ

এর কারণে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা বিছানায় ঘুমায়, তাহলে তা নাজায়েজ এবং গুনাহ।

📖 হাদিসে এসেছে:

“যখন কোনো স্ত্রী তার স্বামীর ডাকে সাড়া না দিয়ে রাত কাটায়, ফেরেশতারা সকাল পর্যন্ত তাকে অভিশাপ দেয়।”

— (বুখারি, মুসলিম)

২️⃣ কখন গুনাহ হবে না?

নিম্নোক্ত শরয়ি কারণ থাকলে স্ত্রী আলাদা থাকতে পারে এবং এতে গুনাহ হবে না:

✔ শারীরিক অসুস্থতা

✔ হায়েজ / নেফাস

✔ স্বামীর জুলুম, মারধর বা নির্যাতন

✔ স্বামীর দ্বারা গুনাহে বাধ্য হওয়ার আশঙ্কা

✔ নিরাপত্তা বা ইজ্জতের ভয়

এক্ষেত্রে আলাদা থাকা জায়েজ, বরং কখনো আবশ্যকও হতে পারে।

৩️⃣ শুধু “রাগ” হলে কী করণীয়?

শুধু রাগ বা অভিমান হলে ইসলাম যা শেখায়:

কথা না বাড়ানো

সাময়িক নীরবতা (কথা কম বলা)

আলাদা বিছানা না নেওয়াই উত্তম

দ্রুত মিলমিশের চেষ্টা

নবী ﷺ বলেছেন:

“মুমিনদের মধ্যে সবচেয়ে পরিপূর্ণ ঈমান তার, যার চরিত্র উত্তম।”

— (তিরমিজি)

৪️⃣ স্বামীর করণীয়

যদি স্ত্রী রাগ করে আলাদা থাকে:

কঠোর আচরণ না করা

কারণ জানার চেষ্টা

ভালোভাবে বোঝানো

অন্যায় হলে ক্ষমা করা

🟢 সংক্ষেপে সিদ্ধান্ত

অবস্থা

হুকুম

অযৌক্তিক রাগে আলাদা থাকা

গুনাহ

শরয়ি কারণ থাকলে

জায়েজ

জুলুম/নিরাপত্তার ভয়

জায়েজ / আবশ্যক

সমঝোতার চেষ্টা

সুন্নাহ

আপনি চাইলে আমি এ বিষয়ে কুরআন–হাদিসের দলিলসহ বিস্তারিত বা বাস্তব জীবনে কীভাবে সমাধান করবেন সেটাও বুঝিয়ে দিতে 

২৭ নভেম্বর ২০২৫

শেখ মুজিবুর রহমান

(বাশের কেল্লা ফেসবুক  হতে পাওয়া)

 অরন্য কুমার চক্রবর্তী ও গৌরীবালা দাসের জারজ সন্তান ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।


২ বছর বয়স পর্যন্ত শেখ মুজিবের নাম ছিলো দেবদাস চক্রবর্তী!


-------------------------------------


কলকাতা সিভিল কোর্টের উকিল মিঃ চন্ডিদাস। তার এক মেয়ে ছিল যার নাম গৌরিবালা দাস। চন্ডিদাসের সহকারী উকিল মিঃ অরন্য কুমার চক্রবর্তী চন্ডিদাসের কলকাতাস্থ বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতো। এই সুযোগে চন্ডিদাসের মেয়ে গৌরিবালার সাথে অরন্য কুমার চক্রবর্তীর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠে। এভাবে চলতে থাকে দিনের পর দিন। তার ফলশ্রুতিতে এরই মধ্যে গৌরিবালা গর্ভবতী হয়ে পড়েন। গৌরিবালা যখন বুঝতে পারলেন তিনি গর্ভবতী হয়েছেন তখন গৌরিবালা অরন্য কুমার চক্রবর্তীকে তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেন। অরন্য কুমার চক্রবর্তী ইহাতে রাজি না হয়ে অবৈধ সম্পর্কের কথাও অস্বীকার করেন। এদিকে চন্ডিদাস বিষয়টি জানার পর চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে গৌরিবালা ১২/১২/১৯২০ ইং তারিখে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন। তার নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তী। চন্ডিদাস অরন্য কুমার চক্রবর্তীকে গৌরিবালাকে উঠিয়ে নেয়ার জন্যচাপ দিতে থাকেন। কিন্তু অরন্য কুমার রাজি হন না। এরই মধ্যে গৌরিবালার ছেলে দেবদাস বয়স ২ বছরে উন্নিত হয়। চন্ডিদাস হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েন এবংভীষণ অসুস্থতা বোধ করেন। চন্ডিদাসের বিশ্বস্ত মহুরী শেখ লুতফুর রহমান ছিলেন একজন নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। চন্ডিদাস মেয়েকে নিয়ে সমাজে মুখ দেখাতে পারছেন না এমন অবস্থায় গৌরীবালার ছেলে দেবদাসের বয়স যখন ৩ বছর, তখন চন্ডিদাসের মহুরী শেখ লুৎফর রহমান চন্ডিদাসের সমূহ সম্পত্তিসহ গৌরিবালাকে বিয়ে করেন। তখন এফিডেভিট করে গৌরিবালার নাম রাখা হয় ছাহেরা বেগম এবং ছেলের নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তীর পরিবর্তে শেখ মজিবুর রহমান।


এফিডেভিট নং- ১১৮


তারিখ- ১০/১১/১৯২৩ ইং সাল


কোলকাতা সিভিল কোর্ট, পচিমবঙ্গ, ভারত।


সাক্ষীঃ-


(১) জনাব আব্দুর রহমান সাফায়াত, কোর্ট দারোগা, কলিকাতা, থানা+পোঃ- ভান্ডারিয়া, সাবেক জেলা- বরিশাল।


(২) শ্রী অনিল কুমার, কোর্ট দারোগা, সাবেক জেলা- বরিশাল।


কপি পোস্ট



২৫ নভেম্বর ২০২৫

আল্লাহর ১০ আদেশ।

 ইসলামে "দশ আদেশ" (Ten Commandments) শব্দটি সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয় না, তবে পবিত্র কুরআনের সূরা আন'আম (৬:১৫১-১৫৩) এবং সূরা ইসরা (১৭:২৩-৩৯) আয়াতে দশটি মূল নৈতিক ও আইনি নির্দেশের একটি সেট বা বিধানের উল্লেখ রয়েছে। 

এই আদেশগুলো হলো:

১। শিরক বা অংশীদারিত্ব না করা: আল্লাহর সাথে অন্য কিছুকে শরিক করা যাবে না।

২। পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করা: পিতামাতার প্রতি সদয় ও কর্তব্যপরায়ণ হতে হবে।

৩। দারিদ্র্যের ভয়ে সন্তান হত্যা না করা: দারিদ্র্যের কারণে সন্তানদের হত্যা করা যাবে না, আল্লাহই সবার রিজিকদাতা।

৪। প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো লজ্জাজনক কাজের কাছে না যাওয়া: সব ধরনের অশ্লীল ও পাপ কাজ, তা প্রকাশ্যে হোক বা গোপনে, থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫। কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা না করা: আল্লাহ যাকে হত্যা করা নিষেধ করেছেন, তাকে ন্যায়বিচার ব্যতীত হত্যা করা যাবে না।

৬। এতিমের সম্পত্তির কাছে না যাওয়া: এতিম বয়ঃপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তার সম্পত্তির কাছে উত্তম উদ্দেশ্য ছাড়া যাওয়া যাবে না।

৭। ওজন ও পরিমাপ ন্যায়সঙ্গতভাবে দেওয়া: পরিমাপ ও ওজনে পূর্ণ ইনসাফ বজায় রাখতে হবে.

৮। কথা বলার সময় সত্য বলা: কথা বলার সময়, এমনকি নিকটাত্মীয়ের বিষয়ে হলেও, সত্য ও ন্যায়সঙ্গত কথা বলতে হবে।

৯। আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ করা: আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং তাঁর আদেশগুলো মেনে চলতে হবে।

১০। সরল পথ অনুসরণ করা: এটিই আল্লাহর সরল ও সঠিক পথ, তাই এই পথ অনুসরণ করতে হবে এবং অন্য পথ অনুসরণ করা যাবে না, কারণ তা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেবে। 

এই নির্দেশাবলী ইসলামে একটি ব্যাপক নৈতিক কাঠামো তৈরি করে এবং মানবজাতির জন্য আল্লাহর সার্বজনীন বার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়। 

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

হতভাগা দেশবাসীর উদ্দেশ্যে নিরবাচনী ফলাফল

 যেসব মেয়েরা BNP জিতেগেসে বলে খুশি হচ্ছেন... আগামীতে যদি মাঝরাস্তায় কোনো মেয়ের উপর ভাদ্র মাসের পাগলা কুকুরের মতো বিএনপির সোনার ছেলেরা ঝাঁপি...

জনপ্রিয় লেখা সমূহ